Daily Science
পদার্থ বিজ্ঞান
- চুম্বক ও চুম্বকত্ব
- ভৌত রাশি ও এর পরিমাপ
- মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ
- কাজ ক্ষমতা শক্তি
- শব্দ
- তরঙ্গ
- তরল ও বায়বীয় পদার্থ
- আধুনিক পদার্থবিদ্যা
রসায়ন বিজ্ঞান
- অজৈব যৌগ
- অনু ও পরমানু
- এসিড ক্ষার ও লবন।
- জারণ বিজারণ
- জৈব যৌগ
- অধাতব রসায়ন
- ধাতব রসায়ন
জীব বিজ্ঞান
- জীববিজ্ঞান, পদার্থের জীবন বিষয়ক ধর্ম
- উদ্ভিদ, উদ্ভিদের অর্গান ও অর্গান সিস্টেম
- প্রাণিজগৎ
- মানবদেহ
- রোগের কারণ ও প্রতিকার
- খাদ্য ও পুষ্টি
- পরিবেশ ও দূষণ
- কৃষি ও জৈব প্রযুক্তি
- জ্যোতির্বিদ্যা
- প্রাকৃতিক ভূগোল
মহাকর্ষ
- মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে তাকে মহাকর্ষ বল বলে।
- সূর্য এবং চন্দ্রের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ হচ্ছে মহাকর্ষ
অভিকর্ষ
- কোনো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণকে অভিকর্ষ বলে। অর্থাৎ, অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
- পৃথিবী ও চন্দ্রের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলই অভিকর্ষ।
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র
- 1687 খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন আপেল পতন এবং গ্রহ-উপগ্রহের গতি পর্যবেক্ষণ করে মহাকর্ষের সূত্র আবিষ্কার করেন
- মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুকণা পরস্পরকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বল বস্তু দুটির ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, তাদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং বস্তু দুটির সংযোগকারী সরলরেখা বরাবর ক্রিয়াশীল ।
- মহাকর্ষ সূত্র অনুসারে
- 𝐹∝ m1⋅𝑚2
- 𝐹∝1/𝑑^2
- 𝐹∝(𝑚_1⋅𝑚_2)/𝑑^2
- 𝐹=𝐺 (𝑚_1⋅𝑚_2)/𝑑^2
- List Item
- [G হল মহাকর্ষীয় ধ্রুবক]
- মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের মান প্রায় 6.674 × 10⁻¹¹ N m²/kg²
- এই মানটি বোঝায় যে, এক কেজি ভরের দুটি বস্তু যদি এক মিটার দূরত্বে থাকে তবে তাদের মধ্যে যে আকর্ষণ বল ক্রিয়া করবে তার মান এই ধ্রুবকের সমান হবে।
- বিজ্ঞানী হেনরি ক্যাভেন্ডিস প্রথম মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের মান নির্ণয় করেন।
- মহাকর্ষীয় ধ্রুবক মহাবিশ্বের সর্বত্র একই থাকে।
- মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের সাহায্যে আমরা যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার মহাকর্ষীয় বল নির্ণয় করতে পারি।
- গ্রহ ও নক্ষত্রের গতি, জোয়ার-ভাটা ইত্যাদি ঘটনা মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের উপর নির্ভর করে।
- মহাকর্ষীয় ধ্রুবক মহাবিশ্বের গঠন ও বিবর্তনের একটি মূল চাবিকাঠি।
অভিকর্ষজ ত্বরণ (Gravitational Acceleration)
- অভিকর্ষজ ত্বরণ হলো পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের প্রভাবে কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার।
- একে সাধারণত 'g' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- 𝐹=𝐺 (M⋅𝑚)/𝑅^2
- M: পৃথিবীর ভর
- m: বস্তুর ভর
- G: মহাকর্ষীয় ধ্রুবক
- R: পৃথিবীর ব্যাসার্ধ
- 𝑚g =𝐺 (M⋅𝑚)/𝑅^2
- g: অভিকর্ষজ ত্বরণ
- g =GM/𝑅^2
- অভিকর্ষজ ত্বরণ একটি সদিক রাশি। এর দিক সর্বদা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে না। অর্থাৎ, ভারী বস্তু ও হালকা বস্তু একই হারে পড়ে।
- g এর মান পৃথিবীর ভরের উপর নির্ভর করে: ভর যত বেশি, তত বেশি g এর মান।
- g এর মান পৃথিবীর ব্যাসার্ধের উপর নির্ভর করে: ব্যাসার্ধ যত কম, তত বেশি g এর মান।
- g এর মান স্থানানুযায়ী পরিবর্তিত হয়: পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভর বিন্যাস এবং ব্যাসার্ধের কিছুটা পার্থক্য থাকায় g এর মানও সামান্য ভিন্ন হয়।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান প্রায় ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড²। এর অর্থ হলো, প্রতি সেকেন্ডে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পায়।